পৃষ্ঠাসমূহ

নিউটন এর জীবনে কিছু মজার ঘটনা

নিউটন এর জীবনে ঘটে জাওয়া সকল মজার ঘটনা , নিউটন কে লেখা সকল মজার ঘটনা পাবেন এখানে নিউটন কে জানতে আগ্রহী হয়ে থাকলে এই বিভাগ এর পোস্ট সমুও মিস করবেন না আশা করি

বিলিভ ইট অর নট

বিলিভ ইট অর নট কথা সত্য । মজার মজার সব কিছু জানতে নিয়মিত এই বিভাগ পোস্ট গুলো দেখুন । আশা করি ভাল লাগবে ।

গনিতের মজা

গনিতের মজা নিতে চাইলে এই বিভাগ এর পোস্ট গুলো মিস করবেন না । বন্ধুদের সাথে গনিত নিয়ে মজা করতে চাইলে এই বিভাগ টি নিয়মিত দেখুন । অনেক অজানা কিছু শিখতে পারবেন আশা করি।.

একটু হাসুন

হাসতে কে না ভালবাসে। হাসলে মন প্রান ভাল থাকে । তাই আপনি যাতে মন প্রাণ খুলে হাসতে পারেন সেই জন্য আমার ব্লগ এর এই বিভাগ টি । আপনার জিবনকে গতিময় করে তুল্বে যদি আপনি হাসতে পারেন ।

ভালবাসি তমাই বাংলাদেশ

বাংলাদেশ এর গৌরবময় তত্ত্ব গুলো জানতে এই বিভাগ টি দেখুন । বাংলাদেশ সম্পর্কে অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন । বাংলাদেশ আমার অহংকার । .

WordLinx - Get 
Paid To Click
নিউটন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নিউটন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১২

নিউটন যে সূত্রগুলো দিতে ভুলে গেছেন ( Which Laws Newton Publish Forget )

নিউটন যে সূত্রগুলো দিতে ভুলে গেছেন

১। লাইনের সূত্র : যখন আপনি তাড়াতাড়ি সামনে এগোনোর জন্য একটা লাইন ছেড়ে অন্য লাইনে দাঁড়াবেন, তখন ছেড়ে আসা লাইনটা আপনি পরে যে লাইনে দাঁড়িয়েছেন তার চেয়ে দ্রুত আগাতে থাকবে।

২। টেলিফোনের সূত্র : যখন আপনি কোনো রঙ নাম্বারে ফোন করবেন, তখন কোনো এনগেজড টোন শুনতে পাবেন না।

৩। গ্যারেজের সূত্র : গ্যারেজে কাজ করতে করতে যখন দুই হাত একদম কালিঝুলিতে ভরে যায় ঠিক তখনই নাকের ডগাটা চুলকায়।

৪। বাথরুম সূত্র :
প্রথম সূত্র : পানি ঢেলে সারা শরীর এবং চুল একদম ভিজিয়ে ফেলার পরপরই ফোনটা বেজে উঠবে।

দ্বিতীয় সূত্র : সারা শরীরের সাবান মাখার পর কিংবা চুলে শ্যাম্পু মাখার পরপরই ট্যাপের পানি বন্ধ হয়ে যাবে।

৫। কারণ দেখানোর সূত্র : যখনই আপনি আপনার ঊর্ধ্বতনকে দেখাতে যাবেন কম্পিউটারটা ঠিকমতো কাজ করছে না, তখনই দেখবেন সেটা ঠিকঠিক কাজ করছে।

৬।চুলকানির সূত্র : শরীরের সেই স্থানের চুলকানি সবসময় বেশি তীব্র হয় যে স্থানে হাত পেঁৗছানো বেশি কঠিন।

৭। কফির সূত্র : ঠিক যখনই এক মগ গরম কফি হাতে নিয়ে আপনি আরাম করে খেতে বসবেন, ঠিক তখনই বস আপনাকে ডেকে পাঠাবে কোনো জরুরি কাজ করে দেওয়ার জন্য।

৮। দেখা হওয়ার সূত্র : স্ত্রীর সঙ্গে শপিংয়ে বের হলে এমন একজন বন্ধু বা বান্ধবীর সঙ্গে আপনার দেখা হবে যাকে আপনার স্ত্রী দু'চোখে দেখতে পারে না।

৯। মিথ্যা বলার সূত্র : অফিসে দেরি হওয়ার কারণ হিসেবে মিথ্যা বলুন_গাড়ির টায়ারটা রাস্তায় পাংচার হয়ে গিয়েছিল। ঠিক ঠিক পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার সময় টায়ারটা পাংচার হয়ে যাবে।

১০। আকাঙ্ক্ষার সূত্র : কোনো কিছু পেতে চাইলে কমপক্ষে তিনবার ভাবুন। কারণ জীবনের সব কাঙ্ক্ষিত জিনিসই দামি অথবা অনৈতিক কিংবা বিবাহিত।

১১। কেনাকাটার সূত্র : দোকান থেকে কোনো কিছু কিনে খুশিমনে ফিরতে গেলে দেখবেন অন্য একটা দোকানে একই জিনিস আরও কম দামে বিক্রি হচ্ছে।

১২। চাকরির সূত্র : অফিসে আপনি যত বেশি অনাকাঙ্ক্ষিত হতে থাকবেন বসের চোখে তত বেশি আপনার ভুল ধরা পড়বে।

১৩। বীমার সূত্র : যে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় বীমা করবেন, ধরে রাখুন সেটা ছাড়া বাকি সব দুর্ঘটনা আপনার জীবনে ঘটবে।

১৪। খুঁজে পাওয়ার সূত্র : শপিং শেষে বাসায় যাওয়ার পথে যে চকোলেটটা আপনি খাবেন বলে ভাববেন সেটাই বাজারের ব্যাগের সবচেয়ে নিচে থাকবে।

১৫। দরজা খোলার সূত্র : দরজা খোলার সময় আপনার একটা হাতে কোনো জিনিস ধরা থাকে তাহলে দরজার চাবিটা থাকবে যে হাতটা খালি ঠিক তার বিপরীত দিকের পকেটে।

১৬। কাপড় নোংরা হওয়ার সূত্র : জরুরি কোনো মিটিংয়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে কাপড়ে চা বা কফি ছলকে পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

১৭। দরকারের সূত্র : বছরের পর বছর পড়ে আছে বলে কোনো জিনিস ফেলে দিলে দেখবেন ঠিক পরের সপ্তাহেই জিনিসটা আপনার দরকার হবে।

১৮। কলিংবেল বাজার সূত্র : বাসায় যখন একা থাকবেন এবং ঠিক যখন কমোডে বসবেন, তখনই কলিংবেলটা বেজে উঠবে।

১৯। টিভির সূত্র : সারাদিনের কাজ শেষে যখন আরাম করে একটু টিভি দেখার জন্য বসবেন, তখন সব চ্যানেল বেছে বেছে সবচেয়ে জঘন্য আর বিরক্তিকর অনুষ্ঠানগুলো প্রচার করবে।

২০। চুল আঁচড়ানোর সূত্র : যেদিন খুব যত্ন করে সময় নিয়ে চুল আঁচড়ে বাইরে বের হবেন সেদিনই দমকা বাতাস বইবে, না হয় হঠাৎ নামা বৃষ্টি আপনাকে ভিজিয়ে দেবে।



২১। অফিস থেকে ফেরার সূত্র : যেদিন অফিস থেকে দেরি করে বাসায় যাবেন, সেদিন আপনাকে কেউ খেয়াল করবে না। কিন্তু যেদিন তাড়াতাড়ি অফিস থেকে বের হবেন সেদিন দরজায় বসের সঙ্গে নিশ্চিত দেখা হয়ে যাবে।

২২। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সূত্র : শরীর খারাপ লাগার সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের কাছে যান, চেম্বারে পেঁৗছার সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার দেখানোর আগেই শরীরটা ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু না গিয়ে ঘরে বসে থাকুন, কিছুতেই শরীর ভালো হবে না।

২৩। কাপড় পরার সূত্র : যে কাপড়টা পরতে চাইবেন সেটার কোনো না কোনো সমস্যা বের হবে। যে কাপড়টা পরলে সবচেয়ে বিশ্রী লাগবে সেটাই ঠিকঠাক গায়ে লাগবে।

লেখক ঃ ফারজানা ঊর্মি

শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১১

নিউটন এর প্রেম এর ব্যাখ্যা (newton love funny definite)

নিউটনের প্রেমের
গতি সূত্র----- ---------- ---------- --

প্রথম সূত্রঃ বাহ্যিক
কোন বল প্রয়োগ
না করলে প্রেমিক-
প্রেমিকার মনের সুপ্ত
প্রেম স্থির
থাকবে এবং গতিশীল
প্রেম সুষম দ্রুতিতে ভালবাসার
সরল
পথে চলতে থাকবে

 



দ্বিতীয়
সূত্রঃ প্রেমিক-
প্রেমিকার মনের
পরিবর্তনের হার এর
উপর প্রযুক্ত বলের
সমানুপাতিক এবং বল
যে দিকে ক্রিয়া করে প্রেমিক-
প্রেমিকার মনের
পরিবর্তনের হারও
সে দিকে ঘটে

তৃতীয় সূত্রঃ প্রত্যেক
ছ্যাঁকারই একটা সমান
ও বিপরীত
ছ্যাঁকা আছে

প্রেমের
ক্ষেত্রে বলের
সংজ্ঞাঃ যা কোন
স্থির প্রেমের উপর
ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল
করে বা করতে চায়
অথবা কোন গতিশীল
প্রেমের উপর
ক্রিয়া করে তার
গতির পরিবর্তন
করে বা করতে চায়
তাকে প্রেমের বল বলে

সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১১

নিউটন এর জীবনে কিছু মজার ঘটনা

জন্মলগ্ন থেকে তিনি ছিলেন রুগ্ন প্রকৃতির এক বালক। অথচ স্কুলে দুষ্টমিতে সেরা ছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও শিক্ষকগণ মুগ্ধ ছিল তাঁর অসাধারণ জ্ঞান-প্রতিভায়। অসাধারণ মেধাবী সেই বিজ্ঞানী হচ্ছেন স্যার আইজাক নিউটন। তিনি ছিলেন একাধারে পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক, আলকেমিস্ট।
নিউটন এর জীবনে কিছু মজার ঘটনা





ঘটনা- ১
একদিনের মজার ঘটনা। ছোট্র নিউটন লক্ষ্য করলেন, স্কুলের অধ্যক্ষের শ্যালক প্রায়ই স্কুলে আসতে দেরি করতেন। চিন্তা করতে করতে হঠাৎ তাঁর মাথায় বুদ্ধি আসলো। সেই মুহূর্তে নিউটন বলে ওঠলেন, স্যার আপনার জন্য একটা ঘড়ি তৈরি করে দিচ্ছি যা দিয়ে ঠিক সময়ে স্কুলে আসতে পারবেন। কিন্তু নিউটন ঘড়িটা তৈরি করলেন কিভাবে? তিনি যে ঘড়িটা তৈরি করলেন সেই ঘড়ির উপরে থাকতো পানির পাত্র। প্রতিদিন নির্দিষ্ট ফোঁটা ফোঁটা পানি ঘড়ির কাঁটার উপরে পড়ত। এর ফলে ঘড়ির কাঁটা আপন গতিতে এগিয়ে চলতো সামনের দিকে। এভাবে সময় গণনা করা হতো। কেমন, মজার না!

ঘটনা-  ২

এক রাতের ঘটনা। নিউটন বন্ধুকে সেই রাতে দাওয়াত করেছিলেন। অথচ তিনি একদম ভুলে গিয়েছিলেন। গণিতের এক জটিল সমস্যা সমাধানে তিনি গভীর মগ্নতায় ডুবে ছিলেন। বন্ধুটি যথাসময়ে এসে তা লক্ষ্য করলেন। ফলে চুপচাপ বসে রইলেন তাঁর অপেক্ষায়। বেশ কিছুক্ষণ পর খাবার এলো। শুধু একজনের খাবার। বন্ধুটি মনে করলেন, তার জন্যই এ খাবার আনা হয়েছে। বন্ধুটি নিউটনকে বিরক্ত না করে চুপচাপ খাবার খেয়ে ফেললেন। এর কিছুক্ষণ পর গণিতের সমাধান শেষ করে বন্ধুর দিকে তাকিয়ে তো রীতিমত অবাক। এবার তাঁর খেয়াল হলো, বন্ধুকে দাওয়াত করার কথা ভুলেই গিয়েছিলেন। খাবারবিহীন প্লেটের দিকে নজর পড়তেই বন্ধুকে বললেন, ‘ভাগ্যিস তুমি এসেছো। নইলে তো বুঝতেই পারতাম না যে আমি এখনো খাইনি’। এই ছিলো আত্মভোলা নিউটনের মজার কান্ড।
 ঘটনা-৩

বিজ্ঞানী ও সাধকগণ কখনো কখনো এমন আত্মমগ্নতায় বিভোর হন যেনো সবকিছুই ভুলে যান সেই সাধনার মুহূর্তে। এমনিভাবে নিউটন কোন নতুন বৈজ্ঞানিক ভাবনায় ডুবে থাকতেন। আরও একদিনের ঘটনা। একজন লোক তাঁর বাড়িতে এসে একটা প্রিজম (তিনকোণা কাঁচ) দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এর দাম কত হতে পারে। সেই ব্যক্তি নিউটনের কাছে এই প্রিজমটি বিক্রির জন্যই এসেছিল। এ সময় নিউটন প্রিজমের বৈজ্ঞানিক গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে বললেন, এর প্রকৃত মূল্য নির্ণয় করা তাঁর সাধ্যের বাইরে। ফলে লোকটি বেশি দাম চাইল। নিউটন সেই দামেই প্রিজমটি কিনে ফেললেন। তোমরা জেনে অবাক হবে, পরবর্তীকালে এই প্রিজম থেকে তিনি উদ্ভাবন করেন বর্ণতত্ত্ব (The theory of color)|

বিজ্ঞানীর সংক্ষিপ্ত প্রোফাইল
এসো এবার আমাদের এই আত্মভোলা বিজ্ঞানীর সংক্ষিপ্ত প্রোফাইল জেনে নিইঃ
নাম- স্যার আইজাক নিউটন।
জন্ম- ৪ জানুয়ারী, ১৬৪৩ এবং মৃত্যু- ৩১ মার্চ, ১৭২৭।
বাসস্থান- ইংল্যান্ড, জাতীয়তা-ইংরেজ।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়।
মূলত নিউটনের আগ্রহ ছিল গণিত ও বলবিজ্ঞানের উপর। ট্রিনিটি কলেজে তিনি কেপলারের আলোকবিজ্ঞান বিষয়ক সূত্রের উপর অধ্যায়ন করেন। এরপর তিনি ইউক্লিডের জ্যামিতির প্রতি পড়াশুনায় অধিক মনোযোগ দেন। স্নাতক শিক্ষা গ্রহণকালে নিউটনের কিছু নিবন্ধের অনুসন্ধান পাওয়া যায়। ১৬৬৫ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভের সময়ে নিউটন তার বিখ্যাত দ্বিপদী উপপাদ্য বিষয়ক সূত্র প্রমাণ করেন। ঠিক একই সময়ে ফ্লাকসিয়নের পদ্ধতি আবিষ্কার বিষয়ক প্রথম তত্ত্ব প্রদান করেন। লিংকনশায়ারে নিউটন গবেষণা চালিয়ে যেতে থাকেন। এখানে এসে রসায়ন এবং আলোকবিজ্ঞান বিষয়ের উপর বিভিন্ন পরীক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। একই সাথে চালিয়ে যেতে থাকেন তাঁর গণিত বিষয়ক অধ্যায়ন। ১৯৬৬ সালে নিউটন তাঁর মহাকর্ষ তত্ত্ব আবিষ্কারের সূচনা করেছিলেন।
১৬৪৭ সালে Philosophiac Naturalis pricipia Mathmatica প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের প্রথম খণ্ডে নিউটন গতিসূত্র সন্বন্ধে আলোচনা করেছেন। তিনটি গতিসূত্র হল, i) প্রত্যেকটি বস্তু চিরকাল সরলরেখা অবলম্বন করে সমবেগে চলতে থাকে। ii) বস্তুর ওপর প্রযুক্ত বল বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হারের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে, ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে। iii) প্রত্যেকটি ক্রিয়ার সমান বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।
দ্বিতীয় খণ্ডে নিউটন গ্যাস ও ফ্লুইড বস্তুর গতির কথা আলোচনা করেছেন। গ্যাসকে কতকগুলো স্থিতিস্থাপক অণুর সমষ্টি ধরে নিয়ে তিনি বয়েলের সূত্র প্রমাণ করেন। গ্যাসের উপর চাপের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে গিয়ে পরোক্ষভাবে শব্দ তরঙ্গের গতিবেগও নির্ধারণ করেন।
তৃতীয় খণ্ডে মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব সন্বন্ধে খুঁটিনাটি বিষদভাবে আলোচনা করেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবেই সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলো ঘুরছে। তেমনি পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চাঁদ ঘুরছে।
১৬৭১ সালে তিনি লন্ডনের রয়াল সোসাইটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৬৭২ সালে তাঁর প্রথম বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ ‘আলোক বিজ্ঞান’ প্রকাশিত হয়। ১৬৮৪-১৬৮৬ সালে তিনি লেখেন তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘প্রিন্সপিয়া’। ১৬৮৯ সালে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্লামেন্ট সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৬৯৬ সালে তিনি সরকারি টাকশালের ওয়ার্ডেন এবং পরে প্রধান পদ লাভ করেন। ১৭০৩ সালে নিউটন পেলেন এক অভূতপূর্ব সম্মান। তিনি রয়াল সোসাইটির সভাপতি। আমৃত্যু তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

নিউটন সম্পর্কে আর জানতে এখানে ক্লিক করুন 

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More